আপনাদের প্রতি আশা রাখছি আমার এই ছোট ব্লগে আপনাদের জন্য মানসম্মত টিউন এবং অনলাইন জগৎতের কুটিনাটি বিষয়গুলো আপনাদের জন্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করব।

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০১৫

দরকারি একটা App নিয়ে আবার হাজির হলাম আপনাদের সামনে। আমি বলতে পারি প্রত্যেক শিক্ষার্থী ভাই- বোনের জন্য এটা অনেক প্রয়োজনীয় App

প্রিয়,বন্ধুরা GRAPHICS HILL সাইটে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব সময় ভালো থাকেন GRAPHICS HILLপক্ষ থেকে এই কামনা রইলো।

দরকারি একটা App নিয়ে আবার হাজির হলাম আপনাদের সামনে। আমি বলতে পারি প্রত্যেক শিক্ষার্থী ভাই- বোনের জন্য এটা অনেক প্রয়োজনীয় App
নিচ থেকে নামিয়ে নিন।


আমার ধারনা এই App টি Student ভাইদের জন্য লাগবেই। দিন যতো যাচ্ছে প্রযুক্তি ততো উন্নত হচ্ছে। আর সেই উন্নত প্রযুক্তির ফল হচ্ছে এন্ড্রয়েড ফোন।এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে আমরা অনেক কাজসহজে করতে পারি এমন কি পড়াশোনা ওকরতে পারি। আপনি কোথাও ঘুরতে গেলেন কিন্তু আপনি আপনার সাথে বই নিয়ে যাবেন?? 
নিয়ে গেলেও কয়টা বই নিয়ে যাবেন। চিন্তার কোন কারণ নেই NCTB App টা আপনার ফোনে থাকলে আপনি যে কোন সময় আপনার পছন্দমত বই পড়ে নিতে পারেন। এই App এ আপনি ক্লাস ১ থেকে ক্লাস ১২ পর্যন্ত যে কোন বই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
যারা ক্লাস ৯-১০ এবং ১১-১২ তে পড়েন তারা তাদের বিভাগ অনুযায়ী বই ডাউনলোড করতে পারবেন।

আর বেশী কিছু বলবো না নিজেই ডাউনলোড করে দেখে নিন। 
কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫

আপনার ফাইল/ফোল্ডার কে লুকান আরো সহজে My Lockbox pro এর সাহায্যে

আপনার কম্পিউটার এ আপনার আনেক প্রয়োজনীয় ফাইল থাকে, কিন্তু তাদের মাঝে এমন কিছু ফাইল থাকে যা একান্ত নিজের। এই ফাইল গুলো কে Protect করতে আমরা নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি। অনেক সময় আমরা অনেক Software ও ব্যবহার করে থাকি।
তেমনি একটি software হল My Lockbox। আপনারা অনেকেই Hide Folder নামক software টি ব্যবহার করেছেন। এর ফিচার ঐ software টির মতই। এর দ্বারা আপনার File\ Folder কে হাইড করলে তা লকড এবং হিডেন হয়ে যাবে।

এর কিছু ফিচার নিন্মে দেয়া হল-

  • * Extremely easy in use.
  • * Hotkey to open Control Panel with a simple keystroke.
  • * Effective password protection.
  • * FAT, FAT32, NTFS volumes are supported.
  • * Supports all modern Windows operating systems (XP, Vista, 7) including 64-bit editions.
  • * Almost any folder on your computer can be password protected.
  • * Prevents you from locking system-critical folders, e.g. C:\Windows.
  • * Instant protection – no file scrambling or moving to another place.
  • * Trusted processes feature lets backup, antivirus or similar software to backup or scan your protected folder.
  • * Protects folders even in Windows safe mode.
  • * Skinned user interface.

সফটওয়্যারটি ডাওনলোড করতে এই লিংকে প্রবেশ করুন।

How to Activate Pro Version

> First download and install ‘My Lockbox’.
>Open My Lockbox -> Advanced and click on PRO Edition tab.
>Copy name and key from below and paste it there.
>Your Pro Edition is activated..

Name and Activation Key is in the zip file

 Screen Shots
My Lockbox before activation
My Lockbox after activation
hider

অ্যান্ড্রয়েড ব্যাটারি লাইফ বাড়ানোর জন্য ১০টি টিপস

আসসালামালাইকুম প্রিয় ভিজিটর, আশা করি সবাই ভালো আছেন। বর্তমান স্মার্টফোন যুগে সবথেকে বড় সমস্যা চার্জ। আপনি ১ দিন ফুলফিল চার্জ রেখে আপনার ফোন চালাতে একটু বেশি কষ্ট হয় বৈকি। সেহেতু আমাদের কষ্টের শেষ থাকে না। আমিতো অনেককে বলতে দেখি কেন এই জিনিস আপডেট  করে না। কিন্তু আমরা স্মার্টফোনে এতো বেশি অ্যাপ ব্যবহার করি যে এই মাত্রা কমানো বেশ কষ্ট।
Android full charge alltime
কিন্তু স্পেশাল কিছু নিয়ম কানুন আছে যা একটু ফলো করলে আমাদের স্মার্টফোনের এই সমস্যা দূর করতে সহযোগিতা করবে বলে আমরা আশাবাদী। তবে এই টিপস সম্পূর্ণ এন্ড্রোয়েডের জন্য প্রযোজ্য। আর স্ক্রিনশটগুলো এন্ড্রোয়েডের সর্বশেষ ভার্সন ললিপপ ৫.০.২ থেকে নেওয়া।
সেহেতু আপনারা একটু মিলিয়ে নিবেন আপনার স্মার্ট ফোনের কনফিগারেশনের সাথে।

ব্যাটারি লাইফ বাড়ানোর জন্য অবিশ্বাস্য ১০ টিপসঃ

১) ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন, স্লিপ টাইম কমানঃ

আপনার ডিফল্টভাবে থাকা ব্রাইটনেস কমিয়ে ফেলুন সময় বুঝে। যখন খুব বেশি ফোন ব্যবহার করছেন তখন ব্রাইটনেস ৫০ এর নিচে রাখায় ভালো। এটা আপনার ব্যাটারি ক্ষমতা বাড়াবে। সেজন্য,  Settings > Display > Brightness level এখান   যথাসম্ভব আপনার ফোনের ব্রাইটনেস কমান। ফলে চার্জ ধরে রাখতে পারবেন অনেক বেশি। 
আরেকটা বিষয় হলো আপনার ফোনের স্লিপ টাইম কমিয়ে ফেলুন। ডিফল্টভাবে এটি সাধারনত ৩০ সেকেন্ড থাকে। এই স্লিপ টাইম আপনি ১৫ অথবা এর থেকেও কম করে দিন। তাতে আপনার ফোনের চার্জ একটু সাশ্রয় হবে। 
android-battery-saving-brightness

২) কাজ শেষে অ্যাপ ক্লোজ করুনঃ

বেশিরভাগ সময় আমরা কাজের শেষে অ্যাপ ক্লোজ করি না বা ঐভাবে মিনিমাইজ করে রাখি। কিন্তু এটি আপনার চার্জকে ধরে রাখতে ব্যাঘাত  ঘটায়। তাছাড়া বেশ  কিছু কিছু অ্যাপ অনেক বেশি চার্জ খেয়ে ফেলে। সেহেতু এগুলো অবশ্যই বন্ধ করবেন। তাছাড়া এন্ড্রোয়েডের কিছু ডিফল্ট সেটিং আছে  যেখান থেকে ভারি অ্যাপগুলো অর্থাৎ যেঅ্যাপে বেশি চার্জ নষ্ট করছে সেগুলো দেখতে পারবেন। সেজন্য Settings > Battery থেকে দেখে সেগুলো ক্লোজ রাখুন কাজ শেষে।
android-battery-saving-monitor

৩) ব্যাটারি সেভার মুড অন রাখুনঃ

আপডেট ভার্সনের ফোনে এই অপশন আপনি পাবেন। যেখান থেকে আপনি ব্যাটারি সেভারের মাধ্যমে ব্যাটারি সেভ করতে পারেন। মূলত সনি, স্যামসাং, এইচটিসি এসব ফোনে আপনি এই অপশন অবশ্যই পাবেন। কিছু ফোনে নির্দিষ্ট চার্জের পরে ব্যাটারি সেভার চালু হয়। তবে আপনি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এটা চালু রাখতে পারেন এইখান থেকে Settings > Battery > Battery Saver
android-battery-saver-mode

৪) ব্লুটুথ বন্ধ করে রাখুনঃ

ব্লুটুথ এক্সট্রা অনেক চার্জ নিয়ে নেয়। কিন্তু অনেক সময় আমরা ব্লুটুথ অন রাখলে আর সেটা অফ করি না বা ভুলে যায়। সেহেতু এটি অবশ্যই বন্ধ করে রাখবেন কাজ শেষে। তাতে এক্সট্রা কিছু চার্জ বাঁচবে। শর্ট আইকোন দিয়ে off  করতে পারবেন,  তবে ম্যানুয়ালি করতে Settings > Wireless & networks  > 
5213ccb1757b7f4c568b4568

ডার্ক (Dark) wallpapers ব্যবহার করুনঃ

বেশি পিক্সেলের wallpapers বেশি পাওয়ার খেয়ে নেয়। কিন্তু আপনি যদি ডার্ক জাতীয় wallpapers ব্যবহার করেন তাহলে সেটা পিক্সেল কম বহন করে। সেহেতু আপনার চার্জ ধরে রাখতে সুবিধা হবে। সেহেতু যথাসম্ভব ডার্ক wallpaper ব্যবহার করুন।

৬) GPS অফ করে রাখুন (location tracking)

গুগল ম্যাপসের মতো অ্যাপ যদি আপনি মাঝে মাঝে লোকেশন দেখার জন্য ব্যবহার করেন, তাহলে GPS বন্ধ করে রাখুন। তাহলে এক্সট্রা চার্জ হারানোর হাত থেকে আপনি বাঁচবেন। কারণ GPS এর কাজ আপনি গুগল ম্যাপে সেরে নিতে পারবেন।
android-battery-saving-location

৭) ভাইব্রেশন অফ রাখুন, অপ্রয়োজনীয় সাউন্ড বন্ধ করুনঃ

প্রয়োজন ছাড়া আপনার ফোনের ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন। আর বিভিন্ন অ্যাপ বা সেটিং থেকে অপ্রয়োজনীয় সাউন্ড অফ করে রাখুন। Settings > Sound & notification > Other sounds এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখুন।
android-battery-saving-haptics

৮) যথাসম্ভব widgets কমিয়ে রাখুনঃ

Widgets আপনার কাজকে সহজে করার কিছু শর্টকার্ট অ্যাপ। কিন্তু অত্যধিক widgets আপনার ফোনকে স্লো সহ চার্জ কমায়ে দিতে পারে। সেহেতু যত-সম্ভব widgets কম রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজন ছাড়া না ব্যবহার করায় ভালো, আমার মনে হয়।

৯) এনিমেশন অফ রাখুনঃ

আপনি কি জানেন আপনার ফোনের কিছু ফ্ল্যাশি এনিমেশন আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ কমিয়ে দিতে পারি। আগে এগুলো অফ করা না গেলেও এখন আপনি সেগুলো অফ করতে পারবেন। Settings > About phone অপশন থেকে আপনি এটি অফ করতে পারবেন। “Developer options” “Window animation scale,” “Transition animation scale” এবং “Animation duration scale.”  সবগুলা অপশন অফ করতে  হবে। আপনাকে চেঞ্জ কনফার্ম করতে ফোন রিবোটের প্রয়োজন পড়তে পারে। নিচের ছবি দেখুন,
android-battery-saving-dev-options

১০) ব্যাটারি কেচ বা প্যাক নিয়ে নিনঃ

উপরের টিপসগুলো ফলো করলে আপনার ব্যাটারি সমস্যা অনেকটা সমাধান হবে আশা করি। তারপরও যদি আপনার এক্সট্রা আরও বেশি ইউজ করতে হয় বা দূর পাল্লার ভ্রমণে আপনার বেশিচার্জ  লাগে তাহলে আপনি একটি portable battery pack অথবা পাওয়ার ব্যাংক কিনে নিতে পারেন। যেটি আপনি সাথে রাখলে ২/৩ বার আরও চার্জ করে নিতে পারবেন আপনার ফোন। যাহাতে আপনার ফোন আপনি ইচ্ছা মতো ব্যবহার করতে পারবেন।
power-bank

ধন্যবাদ সময় নিয়ে আমার টিউনটি পড়ার জন্য।

এবার টেলিটকে ২জিবি ৩জি ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ৮০ টাকায়। ১ জিবি কিনলে ১ জিবি ফ্রি। প্যাকটি যতখুশি ততবার পাবেন।

টেলিটক বাংলাদেশের সরকারের অধীন সরকারী সিম অপারেটর কোম্পানী। রাষ্ট্রেয় সুবিধার্থে টেলিটক কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা। আর এ দেশে চলা অন্যান্য বিদেশী অপারেটর গুলো সর্বদা লুফে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর তাদের মুল মন্ত্র হল দারুন দারুন লোভনীয় অফার দেওয়া। কিন্তু এ দিক দিয়ে টেলিটক অনেক ভাল, তবে টেলিটকের নেটওয়ার্ক কানেকশন খারাপ থাকায় দেশে টেলিটকের চাহিদা কম। যাইহোক আজ এসব থাকুক অন্য কোন টিউনে না হয় টেলিটকের বিস্তারিত খবর তুলে ধরব।
টেলিটকের আগষ্ট আগমনী অফার। আগষ্ট মাস আসার আগ পর্যন্ত এই প্যাকটি চালু থাকবে।
এখন টেলিটকের সকল গ্রাহকই পাচ্ছেন মাত্র ৮০ টাকায় ১ জিবি ডাটা সাথে ১ জিবি ফ্রি সহ মোট ২ জিবি ডাটা।
মোট ২ জিবি ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ৮০ টাকায় প্যাকটি কিনতে D58 লিখে পাঠিয়ে দিন 111 নম্বরে। যতবার নিবেন ততবার। আর সকল গ্রাহক প্যাকটির মেয়াদ পাবেন ৩ দিন। তাই দেরি না করে এখনি প্যাকটি কিনে ইনজয় করুন টেলিটকের হাই স্পিড ৩ জি নেট।
আজ এ পর্যন্তই। যদি কোন প্রয়োজন হয় তাহলে টিউনমেন্ট করবেন। আশা করি সমাধান দিতে পারব। আল্লাহ হাফেজ।

কিভাবে বুঝবেন যে আপনি যে ডিমটি খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম নয়? – একটি জনসচেতনতা মুলক টিউন

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন  ! আমি আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি।
আজকে  একটি নতুন টিউন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম
হয়তো   অনেকে  এইরকম খবর জানেন  আবার  অনেকে  জানেন  না   তাদের  জন্য  এই টিউন


আপনি শুনে অবাক হবেন যে, আপনি যে ডিম ভেজে/সিদ্ধ করে খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম ও হতে পারেন যা কিনা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বাজারে নকল/ কৃত্রিম ডিমে সয়লাব হয়ে গেছে, কিন্তু, আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কেনা ডিমটি আসল ডিম-নকল ডিম নয়? আসুন আমরা জানি এবং সচেতন হই এ থেকে। এই কৃত্রিম ডিমটিকে অনেকে বলেন – ফেক ডিম, প্লাস্টিক ডিম, কেমিক্যাল ডিম, চায়না ডিম ইত্যাদি।
আসুন, প্রথমে আমরা জানি যে, একটা ডিমের কয়টা অংশ থাকে। একটা ডিমের তিন অংশ-ডিমের খোসা, ডিমের সাদা অংশ, ডিমের কুসুম। এই তিনটি অংশ হুবুহু তৈরি করা যাচ্ছে কেমিক্যাল দিয়ে।
সাধারণতঃ কৃত্রিম ডিমের খোসাটি তৈরি করা হয় ক্যালসিয়াম কারবনেট দিয়ে, ডিমের হলুদ ও সাদা অংশের মুল উপাদান সোডিয়াম এলজিনেট, এলাম, গিলেটিন এবং খাদ্য লবন এবং ডিমের কুসুমের কালারের জন্য কমলা হলুদ ফুড কালার।

কিভাবে তৈরি করা হয় কৃত্রিম ডিমঃ

  • প্রথমে গরম পানির সাথে সোডিয়াম এলজিনেট কে মিশ্রিত করে তার সাথে গিলেটিন, এলাম ও অন্যান্য উপাদান ভাল ভাবে মিশ্রিত করা হয় যাতে ডিমের সাদা অংশের মত দেখায়।
  • অতঃপর, ডিমের কুসুম তৈরির জন্য অন্য পাত্রে কিছু মিশ্রন নিয়ে তাতে কমলা হলুদ রঙ মেশানো হয়।
Egg Yoke of Fake Egg Making
তারপরে, এই মিশ্রণকে ছাঁচে ঢালা হয় যাতে কুসুম সদৃশ কোন কিছু তৈরি হয়, এবং এই কুসুমকে অন্য পাত্রে রাখা ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডের দ্রবনে ডুবানো হয়।
Pouring Egg Yoke
  • এর ফলে, ডিমের চার পাশে একটি পাতলা পর্দা তৈরি হয়।
fake eggs
  • অতঃপর, এটাকে প্যারাফিন ওয়াক্স, জিপসাম পাওডার, ও ক্যালসিয়াম কারবনেটের মিশ্রণে ডুবানো হয় যাতে ডিমের খোসা তৈরি হয়
20090424fakeegg20
  • ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল কৃত্রিম ডিম।

কিভাবে চেক করবেন যে আপনার কেনা ডিমটি কৃত্রিম কিনা?

আপনি যখন একটি কৃত্রিম ডিমকে ভাঙবেন তখন দেখবেন যে ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম খুব দ্রুত এক সাথে মিশে যাচ্ছে, কারন, দুটো একি উপাদানে তৈরি,শুধু রংটা ভিন্ন।
  • কৃত্রিম ডিমের খোসাটা আসল ডিমের চাইতে কিছুটা আকর্ষণীয়। সাধারনভাবে ধরাটা কিছুটা কঠিন।
  • কৃত্রিম ডিমটা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে কিছুটা অমসৃণ মনে হবে।
  • কৃত্রিম ডিমটাকে ঝাকালে হালকা একটা শব্দ পাওয়া যাবে।
  • আসল ডিমের গা থেকে কিছুটা কাচা মাংসের গন্ধ পাওয়া গেলেও কৃত্রিম ডিমে তা পাওয়া যায় না।
  • কৃত্রিম ডিম ভাঁজলে কুসুমটা সাদা অংশের সাথে সহজে মিশে যেতে চায়।
ভাঁজা ডিম (কৃত্রিম) ঃ
Fried Fake Egg
সিদ্ধ ডিম (কৃত্রিম) ঃ
Boiled Fake Egg
কৃত্রিম ডিম তৈরিতে কেমিক্যালগুলোর নামঃ
 CompositionSide effects and harmsUsage
GlucolactoneMetabolism disorderSolidifier
Benzoic acidHarmful to brain, nerve cell. May cause liver dieses, senile dementia.Preservative
Calcium ChlorideMay cause nerve, liver dieses. May affect ability to produce blood.Egg Shell
CelluloseMetabolism disorderAdditive
AlumMay cause nerve, liver dieses. May affect ability to produce blood.Softener
Amino AcidMetabolism disorderAdditive
Food coloring“Egg yolk” color
Sodium alginate“Egg white” and “egg yolk”
Gelatin“Egg white” and “egg yolk”
কৃত্রিম ডিম বানানোর কেমিক্যালঃ
Raw Material of Fake Eggs
কৃত্রিম ডিমের উদপাদককে বলছি, আপনি হয়তো এক সময় নিজের অজান্তেই আসল ডিমের পরিবর্তে আপনাদের ফর্মুলায় তৈরি ক্ষতিকর কৃত্রিম ডিম খাবেন, তখন, কি বলবেন নিজেকে?

expert said about fake egg
তাহলে  আজ  এই পজন্ত  আল্লাহফেজ
সবাইকে ধন্যবাদ আমার টিউন পরার জন্য
সবাই  ভাল  থাকবেন  কোন ভুল  হলে মাফ করবেন।


বি:দ্র: এই টিউনটি টেকটিউন্স এর ওয়ার্ডপ্রেস মাষ্টার ভাই থেকে কপিকৃত

Translate My Site