আপনাদের প্রতি আশা রাখছি আমার এই ছোট ব্লগে আপনাদের জন্য মানসম্মত টিউন এবং অনলাইন জগৎতের কুটিনাটি বিষয়গুলো আপনাদের জন্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করব।

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

ইংরেজী ডিকশনারীর সবচেয়ে বড় শব্দগুলো…

কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছেন।শীতের দিনে কাঁপতে কাঁপতে হাজির হয়েছি ইংরেজী ডিকশনারীর সবচেয়ে বড় শব্দগুলো নিয়ে,যা অনেকেই হয়ত জানেন না...কিন্তু বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় আমাদের এই শব্দ গুলো প্রয়োজন পড়ে.........তাহলে আসুন দেখে নেই শব্দ গুলো......

The longest words in Oxford Dictionaries are:

  • antidisestablishmentarianism opposition to the disestablishment of the Church of England - 28 letters
  • floccinaucinihilipilification the estimation of something as worthless - 29 letters
  • pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis a supposed lung disease - 45 letters
  • otorhinolaryngological - 22 letters
  • immunoelectrophoretically - 25 letters
  • psychophysicotherapeutics - 25 letters
  • thyroparathyroidectomized - 25 letters
  • pneumoencephalographically  - 26 letters
  • radioimmunoelectrophoresis - 26 letters
  • psychoneuroendocrinological - 27 letters
  • hepaticocholangiogastrostomy - 28 letters
  • spectrophotofluorometrically - 28 letters
  • pseudopseudohypoparathyroidism - 30 letters
ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন।
ধন্যবাদ..................

রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

মধু সেবনের আশ্চর্য উপকারিতা


পৃথিবীতে যত খাবার রয়েছে সব খাবারের পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা একটি তালিকা করি, তবে সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। মানবদেহের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই হতে পরিত্রান পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমানিত। হাজার বছর পূর্বেও মধু ছিল সমান জনপ্রিয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অনেক সভ্যতায় মধু ‘ঔষধ’ হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এমনকি প্রতিটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থেও মধু সেবনের উপকারিতা এবং কার্যকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন পবিত্র আল কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, "আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর, এরপর সর্ব প্রকার ফুল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াত)"
মধু কি?
মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয় পদার্থ, যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা রাখে। পরবর্তীতে জমাকৃত পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে মধু হচ্ছে এমন একটি অগাজানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের নেকটার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।
মধুর উপাদান-
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ। আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।
মধুর উপকারিতাঃ
মধুর উপকারিতার কথা লিখে শেষ করা যাবে না।মধুর নানাবিধ উপকারিতা নিম্নে প্রদত্ত হল,
শক্তি প্রদায়ীঃ মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। মধু তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
হজমে সহায়তাঃ এতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষদের জন্য মধু বিশেষ উপকারি।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়ঃ মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক।কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়েঃ বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাস কষ্ট) রোগীর নাকের কাছে ধরে শ্বাস টেনে নেয়া হয় তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীর ভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবেন। কেউ কেউ মনে করেন, এক বছরের পুরনো মধু শ্বাস কষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।
অনিদ্রায়ঃ মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।
পাকস্থলীর সুস্থতায়ঃ মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক এসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।
দেহে তাপ উৎপাদনেঃ শীতের ঠান্ডায় এটি দেহকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।
পানিশূন্যতায়ঃ ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেঃ চোখের জন্য ভালো।গাজরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
রূপচর্চায়ঃ মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।
ওজন কমাতেঃ মধুতে নেই কোনো চর্বি। মধু পেট পরিষ্কার করে, মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।

ধন্যবাদ সবাইকে

বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

হাসিতে ব্যথা-বেদনার উপশম হয়

এতদিন জানা ছিল হাসলে মন ভালো থাকে৷ কিন্তু ব্যথা কমে, তা বোধহয় কস্মিনকালেও কেউ কল্পনা করতে পারেননি৷ আধুনিক গবেষকরা কিন্তু বলছেন হাসলে কিন্তু মন ভালো থাকার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ব্যথা-বেদনারও উপশম হয়৷
মানে সোজা বাংলায় বলতে গেলে হাসি না কি পেনকিলারের কাজও করে৷আর অনেকের সঙ্গে মিলে কোনও ব্যাপারে হাসিহাসি করলে তো আরও ভালো৷ সঙ্গে চেনা-পরিচিত কেউ বা বন্ধুবান্ধব থাকলে তো জমে ক্ষীর৷গলা ফাটিয়ে হাসুন আর সমস্ত ব্যথা ভাগান৷ তবে এটা নেহাতই সৌজন্য বা নিয়মরক্ষার জন্য কেঠো হাসি নয়৷ হাসতে হবে এক্কেবারে মন খুলে৷ তাহলেই না পাওয়া যাবে উপকার৷আসলে যখন আমরা কোনও কারণবশতঃ জোরে জোরে হাসি তখন স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়ায় কিছুটা বদল ঘটে৷ আর তাতেই আমরা হাঁফিয়ে উঠি৷ এসময় আমাদের শরীর থেকে এন্ডোরফিন নামক এক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা সাময়িকভাবে শরীরে ক্লান্তির অনুভূতি আনে৷ সঙ্গে আসে এক ধরনের ঝিমিয়ে পড়া ভাবও৷ এর ফলে শরীরে কোনও ব্যথা-বেদনা থাকলেও মস্তিষ্কে তার অনুভূতি ক্রমশ কমে যেতে থাকে৷

ধন্যবাদ কষ্টকরে পড়ার জন্য

মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৪

আলু-রসুনে দূর করুন ত্বকের বলিরেখা

রূপচর্চায় প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে নানা রকম ভেষজ উপাদান। বাদ যায় না রান্নায় নিত্য ব্যবহার্য উপাদানও। যেমন- আলু আর রসুন।
শুনতে একটু খটকা লাগলেও বলিরেখা দূর করে সুন্দর ত্বক পাওয়ার এ এক দারুণ হাতিয়ার! এছাড়াও দূর হবে ঘাড়-গলার কালো দাগসহ ব্রণ।

রসুন ‍দিয়ে রূপচর্চাঃ
আধা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার, আধা চামচ চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস, তাজা রসুন বাটা ২ চা চামচ ও কাঁচা দুধ ২ চামচ মিশিয়ে ফেসমাস্ক তৈরি করুন। সপ্তাহে একদিন করে ব্যবহার করতে পারেন। রসুনের ভিটামিন এ, সি ও ই-তে ব্রণের সমস্যা ও বলিরেখা দূর করবে।
ত্বকের চামড়ার টানটান ভাব ধরে রেখে করবে মসৃণ। ব্রণের সমস্যায় সামান্য রসুন মুখের ব্রণে ঘষুন। ১০ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের জীবাণু নাশক এই উপাদান খুবই কার্যকর।

আলু দিয়ে রূপচর্চাঃ
মুখ পরিষ্কার করার জন্য আলু বেটে নিন, তারপর ভালো করে মুখে মাখুন। ৪/৫ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখ পরিস্কার ঝকঝকে হবে। কালো দাগ দূর করার জন্য আলু বাটা কিংবা আলুর রস নিন। সঙ্গে কাঁচা দুধ মেশাতে হবে।
এই মিশ্রণ ঘাড়, গলা, কনুইয়ে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন ব্যবহারেই দাগ-ছোপ কমবে। আলু দারুণ ফেসমাস্ক ও স্ক্রাবার হিসেবে বেশ কার্যকর। করে শুষ্ক ও কালো ত্বকের জন্য আলু খুব উপকারী একটি উপাদান।

ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণ!

খাবারে ছত্রাকের আক্রমণ হয় বলে শুনেছি। তাই বলে ত্বকেও ছত্রাকের সংক্রমণ!শরীরের যেসব স্থানে আমিষ থাকে ও ঘাম বেশি হয়, সেখানে এই সমস্যা দেখা যায়। যেমন: ত্বকের ওপরের স্তর, চুল ও নখে। শরীরের ভাঁজে ও ঢাকা জায়গায় সংক্রমণের প্রকোপ বেশি।
পায়ে যে ছত্রাকের সংক্রমণ হয়, তাকে অ্যাথলেট ফুট বলা হয়। এই অংশ খুব চুলকায়, আঁশের মতো ওঠে এবং ফাটা ফাটা হয়ে যায়।
এটি সাধারণত পায়ের আঙুলের ফাঁকে দেখা যায়। যাঁরা খালি পায়ে বেশি বেশি ভেজা জায়গায় চলাফেরা করেন, পানিতে বা কাদায় হাঁটেন, তাঁদের এই সমস্যা হতে পারে।
এই সংক্রমণ হতে পারে নখের যেকোনো অংশেও। সত্যি বলতে কি, ত্বকের তুলনায় নখে ছত্রাকের সংক্রমণ বেশি হয়।


মাথার ত্বকেও হতে পারে এই সংক্রমণ। সাধারণত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয়।
কেন এমন হয়?
জামাকাপড়, চিরুনি ও সুইমিংপুল থেকে প্রধানত এই রোগ ছড়ায়। একজনের টুপি অন্যজন ব্যবহার করলেও সংক্রমণ হতে পারে। বহুদিন ধরে অ্যান্টিবায়োটিক খেলেও হতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলেও সংক্রমণ হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন থেকেও এই সমস্যা হয় কারও কারও। পানির সংস্পর্শে বেশি থাকলে, ভালো করে হাত-পা না মুছলে সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন।


কীভাবে বুঝবেন এটি হয়েছে?
চোখে দেখেই অনেক খানি বোঝা যায়। তবে চিকিৎসককে দেখিয়ে নিশ্চিত হতে হবে।
সাধারণত প্রথমে ত্বক লাল হয়ে যায়। খুব চুলকায় এবং অল্প খোসার মতো ওঠে। ত্বকটি শুষ্ক হয়ে যায়।
‘ছুলি’র মতো বিশেষ ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ প্রধানত হাতের ওপরের অংশ, পিঠ, গলা ও বুকে হয়। ওই সব অংশের ত্বক দেখতে সাদা, গোলাপি বা হালকা কালো হতে পারে।
মাথার ত্বকে হলে অনেকটা জায়গাজুড়েই লাল হতে পারে, চুলকাবে এবং পুঁজভর্তি একটা উঁচু ঢিবির মতো হতে পারে। এ ছাড়া নখে সংক্রমণ হলে রং পাল্টে যায়। নখটি ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এর চারদিকের ত্বক পুরু হয়ে যায়।
পরীক্ষা করেও চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হতে পারেন। ত্বক ঘষে ‘স্ক্রেপিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে এর পরীক্ষা করা হয়। আবার নখ ও চুলের অংশ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায়।

প্রতিরোধে করণীয়
গোসল করার পর বা ঘেমে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুকিয়ে নিন।
শরীরের খাঁজগুলো শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।
ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। এ কাপড় দ্রুত ঘাম শুকিয়ে ফেলে। তাই ছত্রাক বাসা বাঁধতে পারে না।ডায়াবেটিস থাকলে নিয়ন্ত্রণ করুন।
নতুন কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারলে ভালো হয়, বিশেষ করে যাঁদের ত্বকে সমস্যা বেশি।

চিকিৎসা কী?
বিভিন্ন অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ, লোশন, ক্রিম, পেস্ট, শ্যাম্পু ও পাউডার নানাভাবে পাওয়া যায়। সংক্রমণ যেখানে হয়েছে, সেখানে এগুলো লাগাতে হয়। যদি শরীরের অনেকখানি জায়গাজুড়ে হয় এবং মাথা ও নখেও দেখা যায়, তাহলে লাগানোর সঙ্গে খাওয়ার ওষুধও দিতে হবে। যাঁদের বেশি চুলকায়, তাঁদের অ্যান্টি-অ্যালার্জি ওষুধ খেতে হবে।

ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান

শীতের হালকা আমেজ আসতেই অনেকেই ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়ে যান। অনেকের তো মাত্রাতিরিক্ত ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ঠোঁট ফেটে যায়।
এমনকি ফেটে যাওয়ার করণে অনেকের আবার রক্তক্ষরণও হয়। শুকিয়ে ফেটে যাওয়া ঠোঁট দেখতেও খুবই খারাপ লাগে। তাই অনেকেই এই যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার পথ খোঁজেন। অথচ সহজেই এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

১. অনেকেই যেকোনো ব্র্যান্ডের লিপ বাম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু লিপ বামের কারণেও ঠোঁটের শুষ্কতার ভাব বেশ বেড়ে যায়। ভালো একটি লিপ বাম কেনার চেষ্টা করুন এবং গ্রীষ্মকালের জন্য এসপিএফ সমৃদ্ধ লিপ বাম ব্যবহার করুন। এতে করে ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। কড়া রোদেও ঠোঁটের ক্ষতি হবে না এবং ঠোঁট কালোও হবে না।

২. যাদের ঠোঁট ভীষণ শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হলো খানিকক্ষণ পর পর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন, এটি করলে ঠোঁট শুকোবে না। কিন্তু এতে ঠোঁট আরো বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।

৩. প্রাকৃতিক উপায়ে ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এতে করে ঠোঁটের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর আপনি ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পাবেন।

৪. মেয়েরা ঠোঁটে নানা ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। এতে করে ঠোঁটের অনেক ক্ষতি হয়। ঠোঁটের ত্বকের ক্ষেত্রে যদি ভালো প্রসাধনী ব্যবহার না করেন তবে ঠোঁট শুকিয়ে গিয়ে তা ফেটে যায় এবং আরো অনেক বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ভালো কোনো ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করুন।

৫. ঠোঁটে খুব বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। ফেসওযাশ ব্যবহার করার সময় একটু সাবধানে ব্যবহার করুন যাতে ঠোঁটে না লেগে যায়। কারণ এতে ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। আর যদি আপনার খুবই অসুবিধে হয় তাহলে মৃদু কোনো ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন।

ধন্যবাদ উপকৃত হলে কমেন্ট করে জানাবেন।

ঠোঁটের রঙ গোলাপি করার ৫টি ঘরোয়া উপায়

সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবাই-ই চান। বলাই বাহুল্য যে মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটের আকর্ষণ অনেক বেশি সৌন্দর্যের বিচারে। কিন্তু প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিও আমাদের ঠোঁট কালো করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নানান রকমের অসুখ, ধূমপান, বাজে প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। চলুন, আজ জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।

কাঁচা দুধ প্রতিদিন
প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।

মধু
প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ
হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।

আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস
এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।

লেবুর রস ও চিনি
লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।

ধন্যবাদ কষ্টকরে পড়ার জন্য

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৪

নিয়ে নিন দেশের গান এই সুযোগ বিজয়ের মাস উপলক্ষে

প্রিয় বন্ধুরা আস্‌সালামু আলাইকুম, আশা করি ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর রহমতে খুবই ভালো আছি। ভালো আছি বিধায় আপনাদের সাথে অকারণে বক বক করা শুরু করলাম। কাজের কথায় আসি আপনাদের জন্য চিন্তা করলাম কিছু দেশাত্মবোধক গান যাহা শুনলে মন প্রাণ জুড়ায় যায়। প্রিয় বন্ধুরা এই গান সেই গান যেই গান  বাংঙ্গালি হিসেবে শুনা দরকার কিন্তু আমরা তাহা শুনতে ভালোবাসি না তাঁর কারণ বাংলা গানে লুঙ্গি ডান্স গান এর মত কোন সুর নেই। কিন্তু এই গানে আছে মাত্রা এবং সুমধুর ধ্বনি যাহা শুনলে মন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তাই বন্ধুরা অন্তত পক্ষে এই বিজয়ের মাস উপলক্ষে এই গানগুলো মোবাইলে রিংটোন হিসেবে হলেও ব্যবহার করে দেখেন আশা করি খুবই ভালো লাগবে।   নিম্নে ১৭ টি গান এর লিংক দেওয়া হলঃ

1. Amar Sonar Bangla

2. Manus Manusher jonno

3. Amar Bhier rokte ragano ekushey february

4. Ek Sagor Rokter Binimye

5. Salam Salam Hazar Salam

6. Ekbar Jete Dena Amar Chhotto Sonar Gae

7. Muche Jaoa Din Guli

8. Tumi Ki Dekhecho

9. Karar oi Louho Kopat

10. Mora Ekti Foolke Bachabo Bole

11. Tumi Aaj Koto Dure

12. Ektara Tui Desher Kotha Bol

13. Ek Nodi Rokto Perie

14. Dew Drops Chol Chol Chol

15. Joy Bangla Banglar Joy

16. Ei Padma Ei Meghna

17. Khachar Vitor Ochin Pakhi Kemne Ase jai

ডাউনলোড করতে লিংকগুলোতে ক্লিক করুন তাহলে ডাউনলোড লিংক পেয়ে যাবেন। যদি কোন পছন্দের গান থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন আমি দেওয়া জন্য চেষ্টা করব। যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন তাহা সমাধান করার চেষ্টা করব।
ধন্যবাদ

Translate My Site